
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার দৈয়ারা দারুছ ছুন্নাত মবিনিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। প্রতিষ্ঠার প্রায় পাঁচ দশক পার হলেও আজও মাদ্রাসাটির ঘরগুলো জরাজীর্ণ টিনশেডেই সীমাবদ্ধ। প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি সরকারি কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবু নোমান জানান, ১৯৭৭ সালে এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি ও জনসাধারণের আর্থিক সহায়তায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি দক্ষ শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিগত বছরগুলোতে দাখিল পরীক্ষার ফলাফলও ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
তিনি জানান, মাদ্রাসায় বর্তমানে সাতটি টিনশেড কাঁচা ঘর রয়েছে, যা একদিকে ঝুঁকিপূর্ণ, অন্যদিকে পাঠদানের জন্যও একেবারেই অনুপযুক্ত। বর্ষাকালে ছাউনি চুইয়ে পানি পড়ে, ফলে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ভিজে যায়। আবার গ্রীষ্মে টিনের ঘর প্রচণ্ড গরম হয়ে ওঠে, যা শ্রেণিকক্ষে অবস্থান কঠিন করে তোলে।
অধ্যক্ষসহ এলাকাবাসীর দাবি—সরকার যেভাবে মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য দেশজুড়ে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, সেভাবে দৈয়ারা দাখিল মাদ্রাসাকেও অন্তর্ভুক্ত করে একটি নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ করা হোক। এটি শুধু শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগই তৈরি করবে না, বরং পিছিয়ে থাকা একটি অঞ্চলের শিক্ষার আলোকে আরও বিস্তৃত করবে বলেও মনে করেন স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।