ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজনীতি কেমন হওয়া উচিৎ?
✍️ নুরুল ইসলাম সাদ্দাম
- ক্যাম্পাস হবে Market place of Values. যে কোনো শিক্ষার্থী বা ছাত্রসংগঠন তার আদর্শের উন্মুক্ত প্রচার করবে। শিক্ষার্থীরা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবে।
- ক্যাম্পাস কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের কেন্দ্র হবেনা। কোনো ছাত্রকে জোর করে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করানো যাবেনা।
- ছাত্রকল্যানমূলক এবং জাতীয় বৃহৎ স্বার্থে ছাত্র সংগঠনসমূহ কর্মসূচি পালন করবে।
- ক্যাম্পাসের বাহিরে জাতীয় রাজনীতিতে যে কোনো ছাত্র অবাধে অংশগ্রহণ করবে। এটা তার ব্যক্তি স্বাধীনতা।
- ক্যাম্পাসের আবাসনে কোনো রাজনীতি থাকবেনা অর্থাৎ হলের সিট বন্টন হবে মেধারভিত্তিতে। গণরুম, গেস্ট রুম কালচার বিলুপ্ত হবে। ছাত্র শিক্ষকদের সমন্বয়ে হলের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা কমিটি থাকবে।
- রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কোনো অছাত্র হলের সিটে থাকতে পারবেনা।
- প্রকাশ্য শিক্ষক রাজনীতি ক্যাম্পাসে থাকতে পারবেনা। তবে জাতীয় পর্যায়ে তারা যেকোনো রাজনৈতিক আদর্শ পালন করতে পারবে।
- ছাত্ররা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসাসহ সকল অনৈতিক কাজ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকবে।
- প্রতিটি ক্যাম্পাসে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন করতে হবে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের নীতিমালা থাকবে।
সর্বোপরি জ্ঞান-গবেষণা আর সৃজনশীল চর্চার কেন্দ্র হবে ক্যাম্পাস। শিক্ষাঙ্গনে আর কোনো শিক্ষার্থীর জীবন ঝরে যাওয়া আমরা দেখতে চাইনা। আমরা আর কোনো রক্ত দেখতে চাইনা ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ হবে Secure place for students.
____________________
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম
কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।